নিজস্ব প্রতিবেদক:
মানুষের কাছ থেকে বিপুল অঙ্কের টাকা নেওয়ার পর তা পরিশোধ না করে আত্মগোপনে থাকার অভিযোগ উঠেছে কয়েকজনের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারীর দাবি, রানা, ইব্রাহিম ও মামুনের কাছে মোট ৯ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। টাকা ফেরত না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগীদের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, রানার কাছে ৪ লাখ টাকা, ইব্রাহিমের কাছে ৩ লাখ টাকা এবং মামুনের কাছে ২ লাখ টাকা পাওনা রয়েছে। সব মিলিয়ে পাওনা অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ লাখ টাকা।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, টাকা নেওয়ার পর একপর্যায়ে অভিযুক্তরা যোগাযোগ এড়িয়ে যেতে শুরু করেন এবং বর্তমানে তাদের অবস্থান নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ফলে প্রশ্ন উঠেছে—৯ লাখ টাকা নেওয়ার পর তারা কোথায়? পাওনা টাকা পরিশোধ না করে কেন আত্মগোপনে রয়েছেন?

ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মানুষের টাকা নিয়ে দীর্ঘদিন আত্মগোপন করে থাকা সম্ভব নয়। তিনি অভিযুক্তদের দ্রুত পাওনা টাকা পরিশোধ করে বিষয়টির সমাধান করার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্তদের সন্ধান পেতে সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে। কারও কাছে তাদের অবস্থান বা সংশ্লিষ্ট কোনো তথ্য থাকলে তা ভুক্তভোগীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।

যোগাযোগ: ০১৭১২-৯২৩৯৯৯

তবে অভিযুক্ত রানা, ইব্রাহিম ও মামুনের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা, টাকার লেনদেনের প্রকৃতি এবং সংশ্লিষ্টদের বর্তমান অবস্থান স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।