​গাইবান্ধার দারিয়াপুর হাজী ওসমান গনি কলেজে নিয়োগ নিয়ে উঠেছে গুরুতর এক অভিযোগ। দীর্ঘ ১৫টি বছর যে মানুষটি কোনো বেতন ছাড়া, শুধু একটি স্থায়ী কর্মসংস্থানের আশায় নিজের শ্রম ও জীবন বিলিয়ে দিলেন—আজ তিনি বঞ্চিত! অভিযোগ উঠেছে, অভিজ্ঞ ও দীর্ঘদিনের কর্মী লিলিকে বাদ দিয়ে টাকার বিনিময়ে অন্য প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
একজন প্রার্থী যেখানে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটিকে আঁকড়ে ধরে সেবা দিয়ে আসছিলেন, নিয়োগের সময়ে তার এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও ত্যাগের ন্যূনতম মূল্যায়ন কেন হলো না
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো জায়গায় কি মেধা ও অভিজ্ঞতার চেয়ে অর্থ লেনদেনই বড় যোগ্যতা হয়ে দাঁড়াবে
যোগ্য প্রার্থীকে বঞ্চিত করে যদি এভাবে নিয়োগ বাণিজ্য চলে, তবে তরুণ ও যোগ্যদের ভবিষ্যৎ কোথায়?
​দীর্ঘদিন বিনা বেতনে কাজ করা একজন কর্মচারীকে এভাবে হতাশ করা শুধু অন্যাই নয়, চরম অবিচার। এই অনিয়ম ও নিয়োগ বাণিজ্যের সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।
​সাধারণ মানুষ চায় মেধা, অভিজ্ঞতা ও সততার প্রকৃত মূল্যায়ন হোক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি—লিলির মতো বঞ্চিত কর্মীদের অধিকার ও যোগ্যতার সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হোক।
​